শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের নিজ উপজেলা চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৭৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৬২৯ জন। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৩ জন।
উপজেলার অধিকাংশ কলেজে প্রত্যাশিত ফল না আসায় সামগ্রিক ফলাফলে এমন চিত্র তৈরি হয়েছে।
তবে এই ফল বিপর্যয়ের মধ্যেও ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৫৬ জন। পাসের হার ৯১ দশমিক ২৩ শতাংশ। কলেজটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
অন্যদিকে, সাধারণ কলেজের তুলনায় মাদ্রাসা শিক্ষায় তুলনামূলক ভালো ফল দেখা গেছে। কচুয়ার ১৪টি মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯৫ জন। পাসের হার ৬৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭ জন।
আলিম পরীক্ষায় উপজেলার মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে শীর্ষ ফল করেছে নিশ্চিন্তপুর ডি এস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৪৭ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
সামগ্রিকভাবে কচুয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের হতাশা দেখা গেলেও আলিম পরীক্ষায় তুলনামূলক ভালো ফল করেছেন শিক্ষার্থীরা।



