জাদুঘরে জমিদারদের পালঙ্ক কাঠের খোদাইয়ে আভিজাত্যের ইতিহাস
ঢাকা, , |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাতীয় জাদুঘরে জমিদারদের বিশাল পালঙ্ক, কাঠের খোদাইয়ে ফুটে উঠেছে আভিজাত্যের ইতিহাস

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ২, ২০২৬ ৩:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে প্রদর্শিত বিশাল আকৃতির কাঠের পালঙ্ক দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। জমিদার ও বিত্তশালীদের ব্যবহৃত এসব পালঙ্কে খোদাই করা রয়েছে মানুষ, পরি, মৎস্যকন্যা, সিংহ, হরিণ ও হাতির অবয়ব। শুধু ঘুমানোর আসবাব নয়, এগুলো বাংলার প্রাচীন দারুশিল্প, আভিজাত্য ও কারিগরদের অসাধারণ দক্ষতার সাক্ষ্য বহন করছে।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জাতিতত্ত্ব ও অলংকরণ শিল্পকলা বিভাগের ৩১ ও ৩২ নম্বর গ্যালারিতে বর্তমানে ৪৬টি কাঠের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। এ বিভাগের সংগ্রহশালায় আরও ২১৪টি কাঠের নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে।

প্রদর্শিত নিদর্শনগুলোর মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ফরিদপুরের এক জমিদারের ব্যবহৃত পালঙ্ক। ১৯৭৬ সালে সংগ্রহ করা উনিশ শতকের এই পালঙ্কটির দৈর্ঘ্য ১২৩ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ২৭ ইঞ্চি। এর কাঠামোয় মানুষের অবয়ব, নারীমূর্তি, সিংহ, হরিণ ও হাতির কারুকাজ খোদাই করা হয়েছে।

১৯৭৮ সালে নড়াইলের লোহাগড়ার ইতনা গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা আরেকটি পালঙ্ক আকারে আরও বড়। এর দৈর্ঘ্য ১২৫ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০১ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ১৩৩ ইঞ্চি। চার কোণায় রয়েছে প্যাঁচানো নকশার স্তম্ভ। পালঙ্কটির পায়ায় পরির আদল এবং পেছনের অংশে ফুল ও লতাপাতার সূক্ষ্ম নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

কাঠের খোদাইয়ে বাংলার ঐতিহ্য

একসময় যশোর, খুলনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও সিলেট অঞ্চলে অলংকৃত পালঙ্ক তৈরির প্রচলন ছিল। জিনাত মাহরুখ বানুর ‘বাংলাদেশের দ