জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকার অঙ্গীকার করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) গুজরাটের বানাসকাণ্ঠা জেলার ভিলডিতে এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
মোদি বলেন, ‘আমি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকব।’ এ সময় তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলার কথা স্মরণ করেন এবং সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর খুব বেশি ছিল না বলে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, গুজরাটের মানুষই তাঁকে কাজ শেখার এবং এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাঁদের ভালোবাসা ও আস্থার কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন।
মোদির বক্তব্যের পর তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপিকে নেতৃত্ব দেবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ওই নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো ঘোষণা দেননি।
বানাসকাণ্ঠার অনুষ্ঠানে ১৪ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষি, দুগ্ধশিল্প, পশুপালন ও অবকাঠামো উন্নয়নে এসব প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
কৃষকদের উন্নত ভারতের অন্যতম শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে মোদি বলেন, কৃষি ও পশুপালন খাতে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। কৃষকদের কল্যাণে তাঁর সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
দুই দিনের গুজরাট সফরের অংশ হিসেবে মোদি ৩১ অক্টোবর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একতা দিবসের অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।



