যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি, ভোট গণনা চলছে
ঢাকা, , |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি, ভোট গণনা চলছে

Tanvir Reza
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জনবার্তা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। প্রাথমিক ফলাফলে সিনেটের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। প্রতিনিধি পরিষদেও অন্তত দুটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে নিজেদের দখলে নিয়েছে দলটি। তবে ভোট গণনা চলমান থাকায় কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই ভোট নেওয়া হয়েছে। এই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে কোনো দলকে অন্তত ২১৮টি আসন নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের সঙ্গে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল খুবই সংকীর্ণ।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ক্যারোলাইনা ও নিউ জার্সিতে প্রতিনিধি পরিষদের দুটি আসনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। ভোট গণনা চলার সময় আরও কয়েকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অব্যাহত ছিল।

কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে এবার ৩৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এপির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ক্যারোলাইনা ও উত্তর ক্যারোলাইনায় গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। জর্জিয়ায় সিনেটর জন অসফ এবং নিউ হ্যাম্পশায়ারে ক্রিস পাপাসও জয় পেয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকেও কয়েকটি আসনে জয় এসেছে।

নির্বাচনের আগে সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল ৫৩-৪৭। ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসনে জয় পেতে হবে। ফলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের পাশাপাশি ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার প্রক্রিয়া বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভিন্ন গতিতে এগোচ্ছে। ডাকযোগে আসা ব্যালটসহ কিছু ভোট যাচাই ও গণনা বাকি থাকায় সব আসনের চূড়ান্ত ফল পেতে আরও সময় লাগতে পারে।

এই নির্বাচনের ফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কংগ্রেসের কোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তিত হলে আইন প্রণয়ন, প্রশাসনের ওপর নজরদারি এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।