মিরপুরের হতাশা ভুলে সিলেটে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ
ঢাকা, , |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিরপুরের হতাশা ভুলে সিলেটে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় বাংলাদেশ

Tanvir Reza
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জনবার্তা ডেস্ক

মিরপুরে প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারের হতাশা পেছনে ফেলে সিলেটে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টের আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অতীত পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক সাফল্য থেকে আত্মবিশ্বাস খুঁজছে দল। তবে এই মাঠকে বাংলাদেশের জন্য পুরোপুরি ‘পয়া’ বলা যাচ্ছে না।

সিলেটে এখন পর্যন্ত ছয়টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে তিনটিতে জয় এবং তিনটিতে হার রয়েছে। এই মাঠেই জিম্বাবুয়ের কাছে দুবার হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে টাইগারদের। আবার নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর স্মৃতিও রয়েছে।

সাম্প্রতিক সাফল্যের কারণে সিলেটকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যাশা বেড়েছে। এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই মাঠে পাওয়া জয় এখনো দলের জন্য অনুপ্রেরণা। এর আগে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর কৃতিত্বও রয়েছে বাংলাদেশের। মিরপুরের স্পিন-সহায়ক উইকেটে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর সিলেটের তুলনামূলক ভিন্ন উইকেট পরিস্থিতি কাজে লাগাতে চাইবে দল।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটে পেস ও স্পিন—দুই ধরনের বোলারদের জন্যই কিছুটা সুবিধা থাকে। ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্যও থাকে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পেছনে ভালো স্কোর গড়ার পাশাপাশি পেস ও স্পিনের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

এবারও বাংলাদেশ একই ধরনের কৌশলে এগোবে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তবে মিরপুরের উইকেটের সঙ্গে সিলেটের উইকেটের পার্থক্য কতটা হবে, সেটিই এখন আলোচনায়। প্রথম টেস্টে কনকাশনের কারণে ছিটকে যাওয়া মুমিনুল হকের পরিবর্তে দলে আসা অমিত হাসান জানিয়েছেন, সিলেটের উইকেটে আপাতত ঘাস দেখা যাচ্ছে। ম্যাচ শুরুর আগে উইকেটের চূড়ান্ত অবস্থা বোঝা যাবে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ টেস্ট সূচিতেও সিলেটের গুরুত্ব বাড়ছে। পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজনের পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের একটি এই মাঠে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিরপুরের হার ভুলে সিলেটে জয় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। উইকেটের চরিত্র, বোলারদের সমন্বয় এবং ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে টাইগারদের সামনে।