দীঘিনালা–সাজেক সড়কে অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে পাল্টাপাল্টি ঘোষণায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এক পক্ষ ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা দিলেও অন্য একটি সংগঠন নতুন করে পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ডাক দিয়েছে। এতে সাজেক, দীঘিনালা, বাঘাইছড়ি ও লংগদু রুটে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি যৌথভাবে অবরোধ ১২ ঘণ্টার জন্য শিথিলের ঘোষণা দেয়। তবে গত মধ্যরাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি’ নামে আরেকটি সংগঠন রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাজেক সড়কে পূর্ণাঙ্গ অবরোধ পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।
এদিকে রবিবার সকাল ৯টার দিকে দীঘিনালা–খাগড়াছড়ি সড়কের সুপারিবাগান এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রা চালকেরা সড়কে যানবাহন আড়াআড়ি করে রেখে পিকেটিং শুরু করেন। এতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে কিছু স্থানীয় অটোরিকশা ঝুঁকি নিয়ে সীমিত পরিসরে চলাচল করে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধ ও সংঘাতময় পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহন শ্রমিক এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সাজেকে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকায় হোটেল, রিসোর্ট ও মোটেল ব্যবসায়ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আঞ্চলিক দলগুলোর আধিপত্যের দ্বন্দ্ব এবং বিভিন্ন সংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে সংকট আরও জটিল হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে গত মধ্যরাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি’ নামে আঅপর একটি সংগঠন নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। তারা রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাজেক সড়কে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ অবরোধ পালনের ডাক দেয়। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে সাজেক, দীঘিনালা, বাঘাইছড়ি ও লংগদু রুটে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সকাল ৯টার দিকে দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি সড়কের সুপারিবাগান এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। সেখানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রা চালকেরা রাস্তায় যানবাহন আড়াআড়ি করে রেখে সরাসরি পিকেটিং শুরু করেন। এর ফলে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারেনি, কেবল কিছু স্থানীয় অটোরিকশা ঝুঁকি নিয়ে সীমিত পরিসরে চলেছে।
ধারাবাহিক এই অবরোধ ও সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহন শ্রমিক এবং পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সাজেকে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকায় সেখানকার হোটেল, রিসোর্ট ও মোটেল ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ দিন ধরে অচলাবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আঞ্চলিক দলগুলোর আধিপত্যের লড়াই ও নতুন নতুন সংগঠনের পাল্টাপাল্টি ডাকার কারণে এই সংকট জটিল হচ্ছে। এই অচলাবস্থা নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও সমঝোতার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।



