স্টাফ রিপোর্টার
তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর পুলিশের তৎপরতার পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধে আগাম তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। পুলিশের তথ্যদাতারা কার্যকরভাবে কাজ করলে অনেক অপরাধের পরিকল্পনা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব। চাঁদাবাজির মতো অপরাধে ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে না চাওয়ায় তথ্য সংগ্রহ ও ডিজিটাল প্রমাণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
আইজিপি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অনুপস্থিতিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলেছে। পরে পুলিশ মনোবল ফিরে পেয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা কমিয়ে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ভিত্তিতে কমিউনিটি পুলিশিংকে আইনি কাঠামোর আওতায় পুলিশের একটি শাখা হিসেবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কেউ যেন পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অর্থ আদায় করতে না পারেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।
মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যৌথ অভিযান চলছে জানিয়ে আইজিপি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। এসব অপরাধ নির্মূলে পুলিশ ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।



