ইরানের কেশম দ্বীপ ও বন্দর লেঙ্গেহতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ
ঢাকা, , |
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানের কেশম দ্বীপ ও বন্দর লেঙ্গেহতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ৩, ২০২৬ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ইরানের দক্ষিণ উপকূলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপ ও বন্দর লেঙ্গেহতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরে এসব বিস্ফোরণ ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে অন্তত পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। অন্যদিকে আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, হরমোজগান প্রদেশের বন্দর লেঙ্গেহতে সমুদ্রের দিক থেকে বিকট শব্দ ভেসে আসে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত পরিসরে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ নিরাপদ রাখাই এসব অভিযানের উদ্দেশ্য। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ।

তবে কেশম দ্বীপ ও বন্দর লেঙ্গেহতে মঙ্গলবারের বিস্ফোরণগুলোর সঙ্গে মার্কিন সামরিক অভিযানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এদিকে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়ে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করা যায় কি না, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই বিস্ফোরণের খবর সামনে এল। একই সময়ে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনার পথ সুগম করতে দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি দোহা সফর করেছেন।

এর আগে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তবে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি।