জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু, বললেন তারেক রহমান
ঢাকা, , |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু, বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জনবার্তা প্রতিবেদন
অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাপানকে বাংলাদেশের কয়েক দশকের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন এক অনন্য উচ্চতায় উন্নীত করার উপযুক্ত সময়। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের এই মজবুত মৈত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গভীর আস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম, যা এদেশের মানুষের হৃদয়ে তাদের জন্য একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছে। বিগত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও মেগা অবকাঠামো উন্নয়নে জাপান প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

বৈঠকে জ্বালানি খাত, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেলওয়ে, যোগাযোগ অবকাঠামো ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশ একমত হয়েছে। সফরকালে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক বিনিময় হয়েছে, যার বিস্তারিত যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের এক নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে। উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাংলাদেশ সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জাপানের উদ্যোক্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সোমবার চার দিনের সরকারি সফরে তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান টোকিওতে পৌঁছালে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। সফরের প্রথম দিনে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বে সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদল, জাইকা প্রেসিডেন্ট এবং মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যানসহ জেবিসিসিইসি সভাপতির সঙ্গে তার বৈঠক হয়। এসব আলোচনায় আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আগ্রহের বিষয়টি উঠে আসে। বিমানবন্দরে তাদের জাপান সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।