কর্মীদের বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন চীনের রেস্তোরাঁমালিক
ঢাকা, , |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্মীদের বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন চীনের এক রেস্তোরাঁ মালিক

জনবার্তা প্রতিবেদন
অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৬:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চীনের হেনান প্রদেশের জিয়াওজুও শহরে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মা ইয়ানলি। তিনি সেখানে গরুর মাংসের হটপট রেস্তোরাঁর একটি চেইন পরিচালনা করেন। সম্প্রতি নিজের প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মীকে নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই ব্যবসায়ী। তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সাধারণত বৈদ্যুতিক স্কুটারে যাতায়াত করেন, তবে শীত, বৃষ্টি কিংবা ঝোড়ো আবহাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মা ইয়ানলি কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে একটি বিএমডব্লিউর শোরুমে যান। কর্মীদের বলা হয়েছিল এটি একটি কাজের বৈঠক। কিন্তু শোরুমে পৌঁছানোর পর তারা অবাক হয়ে দেখেন যে তাদের জন্য নতুন গাড়ি অপেক্ষা করছে। প্রতিটি গাড়ির দাম প্রায় ৩ লাখ চীনা ইউয়ান বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। উপহার দেওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই মা ইয়ানলি গাড়িগুলো কিনে রেখেছিলেন। কর্মীদের গাড়ি উপহার দেওয়াকে সেই ভাবনারই প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উপহার পাওয়া কর্মীদের একজন লি জিয়ে জানান, তিনি দারুণ আনন্দিত। তিনি বলেন, শোরুমে যাওয়ার পথে মালিক তাকে একটি বড় খেলনা উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি আরও জানান, এমন উপহার পাওয়ার কথা আগে কখনো কল্পনাও করেননি। কর্মীদের এমন উপহার দেওয়ার পেছনে রয়েছে এক মানবিক গল্প। একদিন প্রচণ্ড ঠান্ডায় কষ্ট করে যাতায়াত করে এক কর্মীকে কাজে ফিরতে দেখে তার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। সেই দৃশ্য দেখার পর মা ইয়ানলি ভাবেন, তিনি নিজে যখন আরামদায়ক যাতায়াত করতে পারেন, তখন কর্মীরা কেন এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাবেন।

নিজেদের ব্যবসার সাফল্যের পেছনে কর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তার মতে, ব্যবসা ভালো করলে সেই সুফল কর্মীদেরও পাওয়া উচিত। এদিকে, এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অন্যদিকে, ক্যারিয়ার বিষয়ক আলাদা এক তথ্যে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের একটি বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যার আবেদনের সময়সীমা আগামী ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন আশফাকুর রহমান, যেখানে কোটি টাকার ফেলোশিপ ও বৃত্তির সুবিধা রয়েছে।

ব্যবসায়িক সাফল্যের সুফল কর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার এই পদ্ধতিটি এখন অনেকের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কর্মীরা যেমন তাদের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেয়েছেন, তেমনি প্রতিষ্ঠান এবং মালিকের প্রতি তাদের কাজের প্রতিশ্রুতির বন্ধন আরও দৃঢ় হলো বলে মনে করছেন অনেকে। পাশাপাশি কর্মীদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে তাঁদের অংশীদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।